রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো. শফিউদ্দিন খান সিফাতকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৩)।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন বড়গ্রাম চেয়ারম্যান বাড়ি চৌরাস্তা মোড়সংলগ্ন বাবুল হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার সিফাত খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত এলাকার বাসিন্দা এবং একটি মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। ১৩ বছর বয়সী ভুক্তভোগী শিশুটি প্রায় দেড় বছর আগে ওই মাদরাসার হেফজ বিভাগে আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হয়।
মামলার এজাহার ও অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে এসআরবির এই কর্মকর্তা জানান, মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার কিছুদিন পর থেকে রাতে অন্যরা ঘুমিয়ে পড়লে অভিযুক্ত সিফাত শিশুটিকে নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত ২ অক্টোবর রাতে শিশুটিকে খাবার নিয়ে মাদরাসায় যেতে বলা হলে সে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কান্নাকাটি করে। পরে তার মা বিষয়টি জানতে চাইলে শিশুটি তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা জানায়। এরপর শিশুটির মা বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেন।
এ ঘটনায় ৩ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে আসামির অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর কামরাঙ্গীরচর থানার অধিযাচনের ভিত্তিতে অভিযান চালায় এসআরবি-৩। অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন বড়গ্রাম চেয়ারম্যান বাড়ি চৌরাস্তা মোড়সংলগ্ন বাবুল হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার সিফাত খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত এলাকার বাসিন্দা এবং একটি মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। ১৩ বছর বয়সী ভুক্তভোগী শিশুটি প্রায় দেড় বছর আগে ওই মাদরাসার হেফজ বিভাগে আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হয়।
মামলার এজাহার ও অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে এসআরবির এই কর্মকর্তা জানান, মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার কিছুদিন পর থেকে রাতে অন্যরা ঘুমিয়ে পড়লে অভিযুক্ত সিফাত শিশুটিকে নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত ২ অক্টোবর রাতে শিশুটিকে খাবার নিয়ে মাদরাসায় যেতে বলা হলে সে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কান্নাকাটি করে। পরে তার মা বিষয়টি জানতে চাইলে শিশুটি তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা জানায়। এরপর শিশুটির মা বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেন।
এ ঘটনায় ৩ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে আসামির অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর কামরাঙ্গীরচর থানার অধিযাচনের ভিত্তিতে অভিযান চালায় এসআরবি-৩। অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অনলাইন ডেস্ক